অরাজ
আর্টওয়ার্ক: দ্য বুল শিল্পী: বিবেক কুমাভাট সূত্র: পিনটারেস্ট
প্রচ্ছদ » মাধব চক্রবর্ত্তী।। প্রাচীন ভারতে গো মাংস ভক্ষণ

মাধব চক্রবর্ত্তী।। প্রাচীন ভারতে গো মাংস ভক্ষণ

  • অনুবাদ: অদিতি ফাল্গুনী

শুধু পশ্চিমের দেশগুলোয় নয়, বৈদিক যুগের ভারতীয়দের ভেতরেও গো মাংস ভক্ষণ প্রচলিত ছিল। বৈদিক ভারতীয়রা যজ্ঞে কি কি বলি দিত সেটা থেকেই বোঝা যায় তারা কি খেত। কারণ মানুষ তার দেবতা বা ঈশ্বরের কাছে সেটাই তর্পণ করে যা সে নিজে খায়। সত্যি কথা বলতে বৈদিক যুগে গুরুত্বপূর্ণ সব অনুষ্ঠান এবং যজ্ঞেই ষাঁঢ় ও গরু বলি হতো। গোমেধ এবং অশ্বমেধ নামে প্রচলিত দুই পশু বলির কথা এপ্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ। সুলগাভা বলিতে ষাঁড় বলি দেয়া হতো। এই বলিতে ষাঁড়টিকে একটি বর্শা বা গজাল দিয়ে বিদ্ধ করা হতো। দেবতা রুদ্রকে খুশি করতে এই বলি দেয়া হতো। গ্রহসূত্রতে তেমনটাই বলা হয়েছে।

আর্টওয়ার্ক: চেয়ারিং বুল
শিল্পী: ধীঙ্কর যাদব
সূত্র: পিনটারেস্ট

বৈদিক সাহিত্যে গোমাংস বিষয়ক উদ্ধৃতি 

ঋগ্বেদের একটি স্তবে বলা হয়েছে,‘‘ইন্দ্র তোমার ষাঁড় আহার করবেন।” ঋগ্বেদের আর একটি স্তবে অগ্নিকে ‘উকসন্ন’ এবং ‘বসন্ন’ বলা হয়েছে  যার অর্থ ‘ষাঁড় ও বন্ধ্যা গাভীর খাদক।’ শুধু যজ্ঞের জন্যই নয়, খাবারের জন্যও গবাদি পশুসমূহ নিয়মিত কসাইখানায় নেয়া হতো যা ঋগ্বেদের আরও একটি স্তবে স্পষ্ট। আবার, ঋগ্বেদে এটিও সুপারিশ করা হয়েছে যে গরু যেন তরবারি বা কুঠারে কাটা হয়। এটা লক্ষ্যনীয় যে বর্তমানের হিন্দু বলি প্রথায় যে ‘ঝটকা বলি’ বা এক কোপে প্রাণির মস্তক বিচ্ছিন্ন করার কথা আছে, সেটা তখনো চালু হয়নি। সত্যি বলতে ঋগ্বেদের যুগে প্রচুর মানুষ যে বরং গোমাংসের ভক্ত ছিল তার প্রচুর সাক্ষ্য-প্রমাণ আজো ছড়িয়ে আছে। এমনকি শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানেও গোমাংস ভক্ষণ ছিল অনুষ্ঠানের একটি আবশ্যিক অংশ।

তবে আগ্রহোদ্দীপক বিষয় হলো যে এই একই ঋগ্বেদে মাঝে মাঝে গরুকে আবার ‘অঘ্ন (যাকে বলি দেয়া যায় না)’ হিসেবে ‘অলঙ্ঘ্যনীয়’ মর্যাদা দেয়া হয়েছে এবং গোটা ঋগ্বেদের এমনটি ষোল বার বলা হয়েছে, তবে তিন ক্ষেত্রে ‘অঘ্ন’ (যদি পুং বা ষাঁড় হয়) বলি দেয়া যেতে পারে। তবে এটা থেকে এমনটি ভাবা যাবে না যে সেই সময়ে গো ভক্ষণ কোন নিন্দিত কাজ ছিল। এই প্রসঙ্গে এটা বরং বলা যেতে পারে যে সংস্কৃতে বলির গরু বোঝাতে ‘বস (যার অর্থ বন্ধ্যা গাভী)’ শব্দটি ব্যবহার করা হত তবে দুধেল গরু কালে-ভদ্রে বলি দেয়া হতো। একমাত্র এবিষয়গুলো খেয়াল রাখলেই বোঝা বা ব্যখ্যা করা সম্ভব যে কিভাবে বেদে গাভীকে নানা প্রশংসা বাক্যে ভূষিত করা হয়েছে এবং অসংখ্য বৈদিক স্তোত্রে তাকে ‘রুদ্রগণের মাতা, বসুদের কন্যা, আদিত্যগণের ভগিনী এবং অমৃতের কেন্দ্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

যদিও ঋগ্বেদের ‘অঘ্ন’ কথাটি তিনবার বলা হয়েছে,তবুও দুধেল গাভীকে হত্যা করা যেমন পুরো নিষিদ্ধ, তেমন কোন নিষেধাজ্ঞা ষাঁড় হত্যার ক্ষেত্রে নেই। তবে এমনটা হতে পারে যে বেদের কিছু স্তোত্রের রচয়িতারা যদি প্রাগার্য (অনার্য) ভারতীয়দের কেউ হয়ে থাকেন (যারা কিনা গোমাংস ভক্ষণ অপছন্দ করতেন)তারাই কালক্রমে অসুর এবং ব্রাত্যদের মত আর্যায়িত হয়ে গেলে বা আর্য সংস্কৃতিতে আত্তীকৃত হয়ে গেলে তারাই গোটা গোপ্রজাতিকে অলঙ্ঘ্যনীয় হিসেবে তকমাভুক্ত করতে পারেন। যেহেতু ভারতের বাইরে গরুর এই অলঙ্ঘ্যনীয়তা কারোর জানা ছিল না বা জানা থাকার কথাও নয়।

অথর্ব বেদের সময় আসা পর্যন্ত ভারতে গোমাংস ভক্ষণের রীতি অপরিবর্তিত ছিল। তবু ঋগ্বেদের নানা জায়গায় কালক্রমে গোমাংস ভক্ষণের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে শুরু করে।

আর্টওয়ার্ক: টয় ‍সেলর
শিল্পী: সিদ্ধার্থ সিংগাড়ে
সূত্র: পিনটারেস্ট

ব্রাহ্মণ যুগে গোমাংস ভক্ষণের অভ্যাস আরো বেড়ে যায়। ‘তৈতিরীয় ব্রাহ্মণ’ ‘কাম ইস্টি’ বা ছোটখাট যজ্ঞগুলোয় নানা দেবতার কাছে গোপ্রজাতির কাকে কাকে বলি দেয়া যেতে পারে তা বলা হয়েছে। যেমন,দেবতা বিষ্ণর কাছে দেয়া যেতে পারে একটি বামুন ষাঁড়।ঝুঁকে পড়া দুই শিঙ বিশিষ্ট আর কপালে একটি দাগবিশিষ্ট ষাঁড়কে রুদ্রের কাছে আর একটি সাদা ও বন্ধ্যা গাভীকে দিতে হবে সূর্য দেবতার কাছে। ‘ঐতরেয় ব্রাহ্মণ’-এ ষাঁড়কে অন্যতম যজ্ঞ বা বলির পশু হিসেবে বলা হয়েছে। তৈত্তিরীয় এবং পঞ্চবিশ্ব ব্রাহ্মণ থেকে আমরা জানতে পারি যে  অগস্ত্য মুনী একটি যজ্ঞে একসাথে একশোটি ষাঁড় বলি দিয়েছেন। ‘শতপথ ব্রাহ্মণ’ মহর্ষি যাজ্ঞবল্ক্যের অত্যাধিক গোমাংস প্রীতির পরিচয় পাওয়া যায় যেখানে তিনি বলছেন ‘আমি এটা খাই তবে মাংস নরম (আঁশলা)’ হতে হবে। তবে বেশ অবাক করা বিষয় হলো যে, এই একই ‘শতপথ ব্রাহ্মণে’ই গোমাংস খাবার বিরুদ্ধে দু’টো উপদেশ বা অনুরোধ রয়েছে।

সূত্রসমূহের ভেতরে,কল্পসূত্র এবং গ্রহসূত্র-এ অল্পকথার ভেতরেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে জীবনের নানা ক্ষেত্রেই গোমাংস ছিল খাদ্যতালিকার একটি অংশ। সাংখ্যায়ণ সূত্রে বলা হচ্ছে যে, বিয়ের দিনে কনের বাবার বাড়িতে একটি ষাঁড় বা বন্ধ্যা গাভী বলি দেয়া হবে এবং বিয়ের পর কনে যখন বরের বাড়িতে বর সমেত আসে,তখন বরের বাড়িতেও আর একটি ষাঁড় বা বন্ধ্যা গাভী বলি দেয়া উচিত। এমনকি শ্রাদ্ধ বা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে নানা তর্পণের ক্ষেত্রেও একটি ষাঁড় বা গরু বলি দেয়ার উপদেশ অপস্তম্ব এবং পরষ্কর গৃহসূত্র-এ বলা হয়েছে। যাজ্ঞবল্ক্য এমনকি এমনও বলছেন যে গোমাংসের সুঘ্রাণে আত্মাসূহের আরোগ্য হয়। বশিষ্ঠ সূত্রে বলা হচ্ছে ‘যজ্ঞে নিমন্ত্রিত কোন সন্ন্যাসী যদি মাংস খেতে অস্বীকৃতি জানান…তবে তিনি নরকে তত বছর থাকবেন যতটা চুল সেই বলিকৃত পশুর ছিল বা আছে।’ খাদিরা এবং গভীলা-সূত্রে নতুন ঘর তোলার সময় বসতবাড়ির অধিষ্ঠাতা দেবতা বা অধিষ্ঠাত্রী দেবীর উদ্দেশ্যে একটি কাল গরু বলি দেবার কথা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘরে সম্মানিত অতিথিবর্গ যেমন শিক্ষক, পুরোহিত, রাজণ্যবর্গ, বর বা গুরুগৃহে শিক্ষা শেষে ফিরে আসা বৈদিক ছাত্রের আগমন উপলক্ষ্যে ষাঁড় বা বন্ধ্যা গাভী বলি দিয়ে সম্মান জানানোর প্রথা চালু ছিল এবং একারণেই বৈদিক সাহিত্যে ঘরে আগত কোন অতিথিকে বলা হতো ‘গোঘ্ন’ বা ‘গোহত্যাকারী’ বা যার জন্য গরু হত্যা করতে হয়। ‘মধুপর্কে’র অনুষ্ঠান এপ্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। মধুপর্ক অনুষ্ঠানটি নিঃসন্দেহে খুব প্রাচীন হয়ে থাকবে যেহেতু কোন সম্মানিত অতিথিকে গোমাংস সহযোগে আপ্যায়ন করার বিষয়টি ‘শতপথ ব্রাহ্মণ’ এবং ‘ঐতরেয় ব্রাহ্মণ’ উভয় গ্রন্থেই আছে। আর এসবকিছুই মোটামুটি ঋগ্বেদের যুগে ঘটে থাকবে।

নৈতিক বিধিবিধান এবং গোভক্ষণ

আমরা এখন স্মৃতি সাহিত্যের দিকে ফিরব। মনু, বশিষ্ঠের মতই, মাত্র এক পাটি দাঁত উঠেছে এমন যাবতীয় গবাদি পশুর মাংস ভক্ষণকে অনুমোদন দিয়েছেন। সেই হিসেবে তাহলে অবশ্যই গরুও এসব ভক্ষ্য প্রাণির তালিকায় আসবে এবং সেটা মেধাতিথি এবং রাঘবানন্দের মত পণ্ডিতদের মন্তব্য থেকেও পরিষ্কার। মনু রাজাদের আপ্যায়নেও মধুপর্ক সহযোগে গোমাংস দেবার সুপারিশ করেছেন। যাজ্ঞবল্ক্য-স্মৃতি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে যে ‘মাহ-ওক্ষ’ বা ‘বড় ষাঁড়’ এমন সব আয়োজনে (যেমন, রাজন্যবর্গের আপ্যায়নে) বলি দিতে হবে। সত্যি বলতে মনু এবং যাজ্ঞবল্ক্য-স্মৃতি উভয়েই বিশেষ বিশেষ আয়োজন যেমন যজ্ঞ বা পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণে গবাদি পশুর বলি দেবার সুপারিশ  করেছেন। বিশেষ দিনগুলো ছাড়া গোহত্যা ‘উপপাতক’ বা ‘ছোট পাপ/অন্যায়’ হলেও ‘মহাপাতক’ বা ‘বড় পাপ/অন্যায়’ ছিল না।  যদিও মনু-স্মৃতির লেখক ব্যক্তিগত ভাবে ‘অহিংসা’ নীতির নিশ্ছিদ্র সমর্থক ছিলেন এবং যিনি কিনা এমনটাও বলেছিলেন যেহেতু কোন জীবন্ত প্রাণিকে হত্যা না করে কোন মাংস পাওয়া সম্ভব নয়,আর জীব হত্যা করে স্বর্গে যাওয়া সম্ভব নয়, সুতরাং মাংস খাওয়া বাদ দেওয়া উচিত, তবে সেই যুগে তখনো মাংস খাওয়ার চল ছিল আর তাই মনুর এই মতামত সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে আরো কয়েকশ বছর লেগে গেছে।

আর্টওয়ার্ক: বুল আন্ডার মুনলাইট
শিল্পী: ধীঙ্কর যাদব
সূত্র: পিনটারেস্ট

প্রাচীন বিজ্ঞান এবং সাহিত্য থেকে 

ভারতের প্রাচীন ব্যাধি ও আরোগ্য সংক্রান্ত কাজগুলোর ভেতর ‘চরক সংহিতা’য় গর্ভবতী মেয়েদের গোমাংস খেতে বলা হলেও প্রতিদিন সবাইকে খেতে মানা করা হয়েছে। আর. এল. মিত্র আমাদের আরো জানান যে মধ্যযুগের ভারতীয় কিছু ব্যাধি ও আরোগ্য শাস্ত্রে মূর্চ্ছা যাওয়া রোগীদের জন্য গোমাংসের স্যূপ পথ্য হিসেবে নির্দেশিত হয়েছিল।

মহাকাব্যগুলোয় ‘গোমেধ’ যজ্ঞের কথা সবিস্তারে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘মহাভারত’-এর ‘বনপর্বে’ একথাও বলা হয়েছে যে বৈদিক মন্ত্রের উচ্চারণের সাথে সাথে বলিকৃত পশুরা স্বর্গ পাবে এবং বনপর্বে রাজা রন্তিদেবের কথাও বলা হয়েছে যার যজ্ঞ আয়োজনে প্রতিদিন গরুসহ দু’হাজার প্রাণি বলি হতো। আবার ‘মহাভারত’-এর ‘উদ্যোগপর্বে’ রাজা নহুষ মহামুনী অগস্ত্যের অভিশাপে স্বর্গ খেকে নিচে নিক্ষিপ্ত হন যেহেতু তিনি গরু হত্যা বিষয়ে বেদের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন এবং একজন ব্রাহ্মণকে অপমান করেন।

ভবভূতি তাঁর ‘উত্তর রাম-চরিত’-এ (৪র্থ দৃশ্য) বর্ণনা করেছেন যে কিভাবে মহাকবি বাল্মীকি মহামুনী বশিষ্ঠকে আমন্ত্রণ জানাবেন বলে বেশ কিছু বাছুর বলি দেন। একই লেখকের ‘মহাবীরচরিত্র’ গ্রন্থ থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে কিভাবে বশিষ্ঠ নিজে বিশ্বামিত্র, জনক, সতানন্দ এবং অন্যান্য মুনীদের ‘হৃষ্টপুষ্ট বাছুর’ দিয়ে আপ্যায়ণ করেছেন ও জমদগ্নকে এই বলে প্রলুব্ধ করেছেন,‘বকনা-বাছুর বলির জন্য প্রস্তুত এবং ঘৃতে পলান্ন প্রস্তুত করা হয়েছে।’

কৌটিল্যর ‘অর্থশাস্ত্রে’ গবাদিপশুরা শ্রেণিবদ্ধ, যেখানে ষাঁড়সমূহকে কসাইখানায় পাঠানোর অভিপ্রায় মনোগত তবে দুধেল গাভি এবং বাছুর যজ্ঞের জন্য মনোনীত হলেও কসাইয়ের তাঁবুতে নিষিদ্ধ। অশোক তাঁর শিলালিপি -এ এবং স্তম্ভ লিপি-এ উল্লেখ করেছেন যে শুরুতে হাজার হাজার পশু রাজকীয় রান্নাঘরে বলি দেয়া হতো। প্রজাদের ভেতর গোমাংসের বিপুল জনপ্রিয়তা দেখে ‘অহিংসা’র প্রবল প্রচারক অশোক বছরের মাত্র কয়েকটি দিন প্রাণি হত্যা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। যেমন, প্রজননক্ষম ষাঁড় বধ্য তালিকায় থাকলেও গাভী হত্যা করা যাবে না।

অদিতি ফাল্গুনী

অদিতি ফাল্গুনী

অদিতি ফাল্গুনী লেখক, অনুবাদক ও গবেষক। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। কাজ করেছেন ও করছেন একাধিক সংবাদপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায়। জন্ম : ১৮ই ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪। প্রবন্ধ-গবেষণা-গল্প-কবিতা-অনুবাদসহ প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০ । তাঁর উল্লেখযোগ বইগুলো হচ্ছে: ক্রমাগত হত্যার সেরেনাদে, অপৌরুষের ১৯৭১, ধৃতরাষ্ট্রের বালিকারা, ইমানুয়েলের গৃহপ্রবেশ, চিহ্ণিত বারুদ বিনিময়, প্রবাল দ্বীপে টিয়া টিটো, নারীবাদী সাহিত্যতত্ত্ব ও বিবিধ প্রসঙ্গ, চেরনোবিলের কণ্ঠস্বর : একটি পারমানবিক দুর্ঘটনার কথ্য ইতিহাস ইত্যাদি। যোগাযোগ : [email protected]

অদিতি ফাল্গুনী

অদিতি ফাল্গুনী